ই-টোকেন দালালদের গ্রেপ্তারের অনুরোধ

584
রোজিনা ইসলাম | আপডেট: ১৪:১২, জুন ১৬, ২০১৬

ভারতের ভিসা পাইয়ে দেওয়ার নামে যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ই-টোকেন বাণিজ্য করছে, তাদের গ্রেপ্তারের অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন।

একই সঙ্গে হাইকমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, বাংলাদেশে ভিসা দেওয়ার জন্য তাদের কোনো অনুমোদিত এজেন্ট বা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান নেই।
ই-টোকেন বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত দালালদের তালিকাসহ একটি চিঠি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দিয়েছে ভারতীয় হাইকমিশন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চিঠিটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দিয়েছে।

ভারতের ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদনকারীরা সাক্ষাতের জন্য যে সাংকেতিক নম্বর পান, সেটিকেই ই-টোকেন বলা হয়।

অনলাইন আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় ই-টোকেন পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে বলে আবেদনকারীরা অভিযোগ করে আসছেন। অনেকের অভিযোগ, কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান অর্থের বিনিময়ে ই-টোকেন পাইয়ে দিচ্ছে।

সূত্র জানায়, ভারতীয় হাইকমিশনেও ই-টোকেন সমস্যার বিষয়ে হাজারো অভিযোগ জমা পড়ছে।

ই-টোকেন সংগ্রহ নিয়ে বাংলাদেশিদের ভোগান্তির বিষয়টি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নজরে এসেছে বলে গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন চিঠি দিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছে, ই-টোকেন দেওয়ার জন্য তারা কোনো প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দেয়নি। কোথাও তাদের কোনো এজেন্ট বা প্রতিষ্ঠান নেই। তাদের ভিসার কার্যক্রম পরিচালিত হয় ‘ইন্ডিয়ান ভিসা আবেদন সেন্টার’ থেকে, যেটি স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। কিছু দালাল ভিসা দেওয়ার নামে ভারতীয় হাইকমিশনের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে।

ভারতীয় হাইকমিশনের চিঠির বিষয়ে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, ওই চিঠির ওপর ভিত্তি করে তাঁরা এখন সংশ্লিষ্ট এজেন্ট ও দালালচক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন। যেহেতু সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এবং দালালচক্রের বিজ্ঞাপন ও ফোন নম্বর পাওয়া গেছে, তাই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হবে।